নৌ প্রতিমন্ত্রী: বঙ্গবন্ধুকে আঘাতকারীরা অন্ধকারে হারিয়ে যাবে

নৌ প্রতিমন্ত্রী: বঙ্গবন্ধুকে আঘাতকারীরা অন্ধকারে হারিয়ে যাবে

নৌ প্রতিমন্ত্রী: বঙ্গবন্ধুকে আঘাতকারীরা অন্ধকারে হারিয়ে যাবে
ছবি: সংগৃহীত

বৈচিত্র্য ডেস্ক:নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা আঘাত করার চেষ্টা করছে তারা অন্ধকারে হারিয়ে যাবে। তিনি বলেন, আজকে যারা বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করার চেষ্টা করছেন; আমি বলব আপনারা ভুল করছেন। যে অন্ধকার পথে হাঁটছেন, সে অন্ধকারে আপনারা হারিয়ে যাবেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিরল পাকা হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার সকালে বিরল উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজন করে।

বঙ্গবন্ধুকে কেউ মুছে ফেলতে পারেনি মন্তব্য করে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর খুনি মোস্তাকরা ভেবেছিল এ বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হবে না। তারা মনে করেছিল, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেউ জানবে না। মানুষের মন থেকে ২৩ বছরের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস মুছে যাবে। কিন্তু; তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। স্বাধীনতার সেই ইতিহাসকে মুছে ফেলতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধুকে কেউ হেয় করতে পারবে না জানিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিজয়ের মাসে বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়। বিতর্কিত কথা বলে বঙ্গবন্ধুকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়। তাকে হেয় করা যাবে না। তিনি বলেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়া অনেক চেষ্টা করেছে। বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনীতিতে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনি স্বাধীনতাবিরোধীদের এমপি বানানো হয়েছে, মন্ত্রী বানানো হয়েছে। কোনো লাভ হয়নি। আজকে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী শুধু জাতীয় ভাবে না; আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হচ্ছে। আজকে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর নামে পুরস্কার দিচ্ছে। জাতি হিসেবে এর থেকে গর্ব আর অহংকারের কী হতে পারে!

স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করে দিতেই বিজয়ের প্রাক্কালে দেশীয় আলবদরদের সহয়োগিতায় দেশের প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

বিরল উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জাবের মো. সোয়াইব। বক্তব্য রাখেন বিরল পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সবুজার সিদ্দিক সাগর, সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কাশেম অরু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ভুট্টো।