ওজন কমাতে হলে খাবার খেতে হবে মেপে মেপে

ওজন কমাতে হলে খাবার খেতে হবে মেপে মেপে

ওজন কমাতে হলে খাবার খেতে হবে মেপে মেপে
ছবি: সংগৃহীত

বৈচিত্র্য ডেস্ক:সুস্থ থাকার জন্য অতিরিক্ত ওজন কমানো খুবই জরুরি। আর তাই দেহ গঠনে ও সুস্থ থাকতে রাতের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাতের খাবারের পরিমাণ ও তা সঠিকভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে কিনা সেদিকে মনোযোগ রাখা প্রয়োজন। অন্যথায় ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে রাতের খাবার খাওয়ার সঠিক উপায় ও পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো হলো

ওজন কমাতে কী খাবেন-

১. চর্বি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট যেন প্রতিবেলার খাবারে থাকে সে দিক খেয়াল রাখুন। এই তিনটি উপাদান ধীরে হজম হয় ও দীর্ঘক্ষণ পেটভরা রাখতে সহায়তা করে। 

২. আরেকটি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো আঁশ। শস্যজাতীয় খাবার হচ্ছে প্রাকৃতিক আঁশ। এ ছাড়া খাবারের তালিকায় ফল ও সবজি রেখে আঁশের চাহিদা পূরণ করা যায়।

৩. পুষ্টিকর খাবার হিসেবে প্লেটের অর্ধেক সবজি, ফল বা এই দুয়ের সমন্বয়ে সাজান এবং বাকি অর্ধেক স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন দিয়ে পূরণ করুন। স্বাস্থ্যকর চর্বি যেমন- পনির, মুরগির মাংস ইত্যাদি রাখতে পারেন।   

৪. ক্ষুধা নিবারক হিসেবে আলু খুব উপকারী। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের প্রকাশিত প্রবন্ধ ‘স্যাটিয়াটি ইনডেক্স অফ কমন ফুড’ অনুসারে অন্যান্য কার্বহাইড্রেইটের তুলনায় আলুর তৃপ্তির মাত্রা সর্বোচ্চ। এটি সাধারণ সাদা রুটির চেয়ে তিনগুণ বেশি পরিতৃপ্ত রাখতে সহায়তা করে।

৫. প্রতিদিন রাতের খাবারে খানিকটা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করুন। এতে খাবারের স্বাদে পরিবর্তন আসবে। ওজন কমবে ও সারা সপ্তাহব্যপী নানা রকম পুষ্টি পাওয়া যাবে।

৬. ‘ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন রিসার্চ’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, খাবারের আগে এক গ্লাস পানি পান, খাবারের চাহিদা কমায়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা কমে। 

৭. রঙিন খাবার খাওয়ার অর্থ হলো একসঙ্গে বিভিন্ন রকমের ফাইটোনিউট্রিইয়েন্ট গ্রহণ করা।

হার্ভার্ড হেলথের মতে, যারা বিভিন্ন রকমের উদ্ভিজ্জ ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট খায় তাদের হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্যান্সারের ঝুঁকি– এমনকি কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।