আস্ট্রাজেনেকা ও জে এন্ড জে’র ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পুনরায় শুরুর ঘোষণা

আস্ট্রাজেনেকা ও জে এন্ড জে’র ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পুনরায় শুরুর ঘোষণা

আস্ট্রাজেনেকা ও জে এন্ড জে’র ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পুনরায় শুরুর ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

বৈচিত্র্য ডেস্ক: শুক্রবার আস্ট্রাজেনেকা এক ঘোষণায় বলেছে, ভ্যাকসিন গ্রহণকারী একজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় ছয় সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রায়াল বন্ধ করে দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রে আস্ট্রাজেনেকা এবং জনসন এন্ড জনসন তাদের ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুক্রবার পুনরায় শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। এখন দ্য ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) ট্রায়াল পুনরায় শুরুর অনুমোদন দিয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ ওষুধ কোম্পানি আস্ট্রাজেনেকা তাদের ভ্যাকসিনের পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু পর পরই ব্রিটেন এবং এর পর দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও জাপানে পরীক্ষার কাজ পুনরায় শুরু করা হয়। ভ্যাকসিনের প্রয়োগের সঙ্গে অসুস্থতার কোন সম্পর্ক নেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই টিকা পরীক্ষার কাজ পুনরায় শুরু করা হয়।

এদিকে কোম্পানিটি আশা করছে, চলতি বছরের শেষে তারা ভ্যাকসিনের পরীক্ষার ফলাফল পাবে।

আস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে এবং একে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও উন্নত মনে করা হচ্ছে।

এদিকে আস্ট্রাজেনেকার ঘোষণার পর পরই জনসন এন্ড জনসন বলেছে, তারা তাদের ভ্যাকসিনের পরীক্ষার কাজ পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছে।

একজন স্বেচ্ছাসেবক অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত সপ্তাহে তারা তাদের পরীক্ষা স্থগিত করেছিল।

এক বিবৃতিতে কোম্পানীটি বলেছে, সকল ধরণের মেডিক্যাল পর্যালোচনা শেষে ভ্যাকসিনের সাথে ওই স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

শুক্রবারের এই ঘোষণার আগে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিন কার্যক্রমে জড়িত একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, খুব শিগগিরই জনসন এন্ড জনসন তাদের পরীক্ষার কাজ পুনরায় শুরু করছে।

উল্লেখ্য, আমেরিকায় কোভিড-১৯ সংক্রমণে ২ লাখ ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এমন প্রেক্ষাপটে দেশটিতে স্বাস্থ্য সংকটের বিষয়টি সবচেয়ে বড় ধরণের নির্বাচনী ইস্যু।

দেশটির হেলথ এন্ড হিউম্যান সার্ভিস বিভাগের কর্মকর্তা পল ম্যাঙ্গো বলেছেন, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই তারা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ আমেরিকানদের টিকার আওতায় নিতে পারবেন। আর জানুয়ারির শেষ নাগাদ সকল সিনিয়র নাগরিক এবং মার্চ-এপ্রিল নাগাদ সকল আমেরিকানই টিকা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।